বৃহস্পতিবার, ০৬ অগাস্ট ২০২৬, ০৭:৪৪ অপরাহ্ন
অনুসন্ধান ২৪ >> বরিশাল নদীবন্দরে নোঙর করা লঞ্চগুলোতে পবিত্র ঈদ উল ফিতর উপলক্ষে স্পেশাল সার্ভিসের দ্বিতীয় দিনে ছিলো যাত্রীদের উপচেপড়া ভিড়। রাত ২টা ৪০ মিনিটের পর থেকেই তিল ধারণের ঠাঁই ছিলো না নদীবন্দরে। যাত্রী নামাতে অপেক্ষা করতে হয় বেশ কয়েকটি লঞ্চকে। শুক্রবার রাত সাড়ে ১০টা থেকে বরিশাল নদীবন্দরে আসতে শুরু করে ঘরমুখো মানুষ বোঝাই লঞ্চগুলো। এতে যাত্রী ছিলো চোখে পরার মত।
তবে নদীবন্দর সূত্র বলছে- ভোর পর্যন্ত মোট ২৩টি লঞ্চ বরিশাল নদী বন্দরে যাত্রী নিয়ে আসে স্পেশাল সার্ভিসের দ্বিতীয় দিনে।
বিআইডব্লিউটিএর ট্রাফিক ইন্সপেক্টর মো: কবির বলেন, রাত সাড়ে ১০টায় ভায়া রুটের পূবালী ৭ লঞ্চ যাত্রী নিয়ে বরিশাল নদীবন্দরে স্পেশাল সার্ভিসের দ্বিতীয় দিনে প্রথম নোঙর করে। এরপর ১২টা ৫৫ মিনিটে ভায়া রুটের শাহরুখ, রাজহংস ৮, এমভি মানিক ও পূবালী ৭ নোঙর করে। এরপর রাত ২টা ৪০ মিনিটে ঢাকা বরিশাল সরাসরি রুটের মানামী লঞ্চ প্রচুর যাত্রী নিয়ে নদী বন্দরে আসে। পরে ভায়া রুটের সুন্দরবন ১২, ঢাকা বরিশাল সরাসরি রুটের পারাবাত ৯, এডভেঞ্চার ১, সুন্দরবন ১০, পারাবাত ১৮ ও সুরভী ৮ নামের বিলাসবহুল লঞ্চগুলো যাত্রী বোঝাই করে বরিশালে পৌছায়। ঢাকা থেকে শুক্রবার রাতে ঢাকা বরিশাল সরাসরি রুটের ১১টি লঞ্চ ও ভায়া রুটের ৫টি লঞ্চ ছেড়ে আসে বলে জানান বিআইডব্লিউটিএর এই ইন্সপেক্টর।
এদিকে যাত্রী চাপ বাড়ায় বরিশাল সিটি করপোরেশনের মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহর পক্ষ থেকে বৃহস্পতিবার রাতে দেয়া ৩৫টি বাস। তবে যাত্রী চাপ আরও বৃদ্ধি পাওয়ায় শুক্রবার রাত থেকে শনিবার ভোর পর্যন্ত লঞ্চঘাট থেকে নথুল্লাবাদ ও রুপাতলী বাস টার্মিনালে ৫০টি বাস লঞ্চ যাত্রীদের বিনামূল্যে পৌছে দিয়েছে বলে জানিয়েছেন করপোরেশনের প্রশাসনিক কর্মকর্তা স্বপন কুমার দাস।
পাশাপাশি পুরো রাতজুড়ে নদীবন্দরের সামনে লঞ্চ যাত্রীদের সুবিধা অসুবিধা মনিটরিংয়ে নির্মিত অস্থায়ী ওয়াচটাওয়ার থেকে মেয়র সাদিক আব্দুল্লাহ নিজেই মাইকিং করে যাত্রীদের পথ প্রদর্শন করে গন্তব্যে যাওয়ার।
বরিশাল মেট্রোপলিটর পুলিশের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার শেখ মোহাম্মদ সেলিম বলেন, পুলিশ কমিশনার ও ট্রাফিক বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার স্যারের নির্দেশনা অনুযায়ী যাত্রীদের নিরাপত্তায় আমরা কাজ করছি। মেট্রোপলিটন পুলিশের কন্ট্রোলরুম থেকে যাত্রী নিরাপত্তায় নজরদারি রয়েছে। এছাড়া গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে আমাদের পুলিশ সদস্যরা রয়েছে যাতে নির্বিঘ্নে মানুষ ঈদ পালনে বাড়ি ফিরতে পারে।